বাগধারা ও প্রবাদ-প্রবচন - আ

Article Stats 💤 Page Views
Reading Effort
1,432 words | 8 mins to read
Total View
4.9K
Last Updated
12-Feb-2026 | 07:25 PM
Today View
0

আকাশ-পাতাল (ব্যবধানে বিশালতা) – কার সাথে কার তুলনা করছো ভাই। উভয়ের মধ্যে আকাশ-পাতাল তফাত।

আক্কেল গুড়ুম (বুদ্ধি লোপ) – কালকের ছেলে মতি, সে তোমার টাকা কেড়ে নিল, শুনে তো আমার আক্কেল গুড়ুম।

আঙুল ফুলে কলাগাছ (হঠাৎ ধনী হওয়া) – আঙুল ফুলে কলাগাছ হলেও ধরাকে সরা জ্ঞান করতে নেই।

আদায় কাঁচকলায় (ঘোর শত্রুতা) – খালিদ ও রফিকের মধ্যে মুখ দেখাদেখি পর্যন্ত নেই; উভয়ের সম্পর্কটা একেবারে আদায় কাঁচকলায়।

আঁধার ঘরের মানিক (প্রিয়বস্তু) – পুত্রটি ছিল বিধবা মাতার আঁধার ঘরের মানিক, সেও মাকে ফাঁকি দিল।

আদার বেপারী (সামান্য বিষয়ে ব্যস্ত ব্যক্তি) – তুমি আদার বেপারী হয়ে জাহাজের খবর নিতে চাও? লাভ কিছুই হবে না।

আধা খেঁচড়া (বিশৃঙ্খলা) – যা করবে বাপু ভালো করে করো, আধা খেঁচড়া করো না।

আহ্‌লাদে আটখানা (অত্যন্ত খুশি) – প্রাইজবন্ডে হাজার টাকা পেয়ে আহ্‌লাদে আটখানা হয়েছ দেখছি।

আসর গরম করা (সভাজনদের মধ্যে উদ্দীপনা সৃষ্টি) – আসর গরম করা বক্তৃতা দিয়ে সভাপতি সাহেব সকলকে মাতিয়ে তুললেন।

আসলে মুষল নেই, ঢেঁকিঘরে চাঁদোয়া (ঠিকমতো ব্যবস্থা গ্রহণে অভাব) – নিজের সংসারে নজর নেই, উনি গেছেন বন্ধুর সংসার আগলাতে আসলে মুষল নেই, ঢেঁকিঘরে চাঁদোয়া।

আকাশে তোলা (অতিরিক্ত প্রশংসা করা) – এসব বলে ছেলেটাকে আকাশে তুলো না, তাহলে লেখাপড়া ভেস্তে যাবে।

আসরে নামা (কাজে অবতীর্ণ হওয়া) – সে এতক্ষণ একটি কথাও বলেনি, এখন আসরে নেমে গেল।

আদা-জল খেয়ে নামা (কোমর বেঁধে নামা) – সাব্বির গতবার পরীক্ষায় ভালো করেনি তাই এবার আদা-জল খেয়ে নেমেছে।

আঁতে ঘা (মনে ব্যথা দেয়া) – নুরু তোমার আঁতে ঘা দিয়ে কথা বলেছে, তুমি কাপুরুষ বলে এখনো চুপ করে রয়েছ।

আগুন লাগা সংসার (নষ্ট হচ্ছে এমন সংসার) – তোমার এই আগুণ লাগা সংসারে উন্নতি হবে কি করে বল তো?

আপন পায়ে কুড়োল মারা (নিজের অনিষ্ট করা) – কুসংসর্গে মিলে তুমি আপন পায়ে কুড়োল মারছো।

আকাশ থেকে পড়া (না জানার ভান করে বিস্ময় প্রকাশ করা) – ওহে গফুর ছেলে সুমনের কথা শুনে তুমি আকাশ থেকে পড়লে যে।

আড়িপাতা (লুকিয়ে শোনা) – বউ আড়ি পেতে শ্বশুর-শাশুড়ির সব কথা স্বামীর কানে লাগায়।

আঠারো মাসে বছর (দীর্ঘসূত্রতা) – তুমি একটি কুঁড়ের বাদশা, তোমার আঠারো মাসে বছর, তোমার দ্বারা এ কাজ হবে না।

আমড়াগাছি করা (তোষামোদে আত্মবিস্মৃতি করো) – চতুর ব্যক্তিরা নির্বোধ ধনী লোককে আমড়াগাছি করে নিজেদের কাজ হাসিল করে।

আইবুড়ো নাম খণ্ডানো (বিয়ে করা/যথেষ্ট দেরি হওয়ার আগেই বিয়ে করা) – যাক এতদিনে তুমি তাহলে তোমার আইবুড়ো নাম খণ্ডালে।

আওয়াজ তোলা (দাবিমূলক বা আন্দোলনমূলক ধ্বনি দেয়া, ধ্বনি বা স্লোগান দেয়া) – আমার কথা শেষ হলে সবাই আওয়াজ তুলবে।

আওয়াজ দেয়া (বিদ্রুপ করা, ব্যঙ্গ করা) – এই সেকেলে পোশাক পরে বেরুলে লোকে আওয়াজ দেবে।

আঁকুপাঁকু (অতিরিক্ত ব্যগ্রতা বা ব্যস্ততার ভাব) – এই তো এলে, আবার এরই মধ্যে যাবার জন্য এমন আঁকুপাঁকু করছ কেন?

আঁচল ধরা, আঁচল ধরে বেড়ানো (স্ত্রীলোকের, বিশেষত স্ত্রীর অথবা মায়ের বশীভূত থাকা) – সাবালক হয়েছ, এখনও কেন আঁচল ধরে বেড়াও?

আঁচা-আঁচি (পরস্পরের মনের ভাব) – তার মনের কথার আঁচা-আঁচি পাওয়া সহজ নয়।

আঁজলপাঁচল করা (গা ঝাড়া দেয়া/ঝুঁকুনি দেয়া) – একটু সুড়সুড়ি লাগলেই গা আঁজলপাঁজল করে।

আঁটকুড়ো (নিঃসন্তান) – আঁটকুড়ো বুড়ো ছেলেপুলেদের একদম সহ্য করতে পারে না।

আঁতকে ওঠা (ভয়ে শিউরে ওঠা/ভয়ে চমকে ওঠা) – কথাটা শুনেই সে আঁতকে উঠল।

আঁতুআঁতু করা, আঁতুপুঁতু করা (আদরের পাত্রকে নিয়ে যত্নের বাড়াবাড়ি করা বা অতিরিক্ত সাবধানতা দেখানো) – ছেলেকে নিয়ে অমন আঁতুপুঁতু করলে ছেলের শরীর সারবে না।

আকার-ইঙ্গিত (ভাবভঙ্গি) – আকার-ইঙ্গিত দেখেই তার অনিচ্ছার কথা বুঝে গেছি।

আকাল পড়া (নিদারুণ অভাব ঘটা/অত্যন্ত অভাব দেখা দেয়া) – দেশে দারুণ আকাল পড়েছে।

আকুতি-ব্যাকুতি (আকারে-ইঙ্গিতে বা ভাবভঙ্গির দ্বারা মনোভাব প্রকাশ) – তার সহানুভূতি আদায়ের জন্য আকুতি-ব্যাকুতি অনেক করছি, কিন্তু কাজ হয়নি।

আক্কেল গুড়ুম (স্তম্ভিত ভাব/হতবুদ্ধি অবস্থা) – কথাটা শুনে আমার তো আক্কেল গুড়ুম।

আখের গোছানো (ভবিষ্যতের ব্যবস্থা করা, ভবিষ্যতে ভালোভাবে থাকার ব্যবস্থা করা) – ছেলের জন্য তোমার চিন্তা করতে হবে না, সে নিজের আখের গোছাতে জানে।

আখের বুঝে চলা (ভবিষ্যৎ ভেবে কাজ করা) – নিজের আখের বুঝে চলার চেষ্টা করো।

আগড়-বাগড় (আজেবাজে জিনিস) – আগড়-বাগড়ে তার ঝোলা ভর্তি।

আগল ভাঙা (বাধাবিঘ্ন আগ্রাহ্য করা, বাধা ভেঙে এগিয়ে যাওয়া) – এইসব আগল ভাঙা লোকই এ দেশের স্বাধীনতা এনেছে।

আগলদার (জমির ফসল আগলানোর বা পাহারা দেয়ার জন্য নিযুক্ত লোক) – আগলদারকে ফাঁকি দিয়ে ফসল চুরি করেছ।

আগলে সামলে রাখা (পাহারা দিয়ে রাখা/চোখে চোখে রাখা) – আমি ওকে খুব করেই চারদিক থেকে আগলে সামলে রেখেছি।

আগাপাছতলা, আগাপাস্তলা (আগাগোড়া,আদ্যন্ত) – আগাপাছতলা খুঁজেও বইটা পাওয়া গেল না।

আঙুল কামড়ানো (আফসোস করা) – নিজেই সুযোগ হাতছাড়া করেছ। এখন আঙুল কামড়ে কি লাভ?

আঙুল ফুলে কলাগাছ হওয়া (হঠাৎ বড়লোক হয়ে যাওয়া, খুব অল্প সময়ে প্রচুর টাকাকড়ি হওয়া) – আমাদের রতন আর সে রতন নেই, কনট্রাক্টরি করে তার এখন আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে।

আচাভুয়ার বোম্বাচাক (যা সম্ভব নয় এমন জিনিস/অসম্ভব ব্যাপার) – তার মতো কৃপণ টাকা দান করল? এতো আচাভুয়ার বোম্বাচার।

আচার-বিচার (সদ্বিবেচনা/নিয়ম-শৃঙ্খলা) – তিনি গরিব হলেও আচার-বিচারহীন নন।

আছড়া-আছড়ি (ক্রমাগত আছাড়) – এত আছড়া-আছড়ি করলে জামাকাপড় নষ্ট হয়ে যায়।

আছোলা বাঁশ (যে বাঁশের গাঁট ছাড়ানো হয়নি) ভালো মনে করে আশ্রয় দিলাম সে এখন আছোলা বাঁশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আজবখানা, আজবঘর (জাদুঘর, মিউজিয়াম) – তোমার এই ঘরটাকে তো দেখছি একেবারে আজবখানা বানিয়ে ফেলেছ।

আজোড়-জোড়ন (অসম্ভবকে সম্ভব করা, অঘটন ঘটানো/যা ঘটার কথা নয় তাই ঘটা) – তিনি কি আজোড়-জোড়নের ক্ষমতা রাখেন?

যে আজ্ঞা, যে আজ্ঞে (তাই হবে/যেমন বলবেন তেমনই হবে) – চাকরটি ‘যে আজ্ঞে’ বলে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল।

আটকপালে, আটকপালিয়া (হতভাগ্য, অভাগা) – আমার মতো আটকপালের ভাগ্যে কি ঐ চাকরি জুটবে?

আটঘাট বাঁধা (চারদিক সম্পর্কে সাবধানতা অবলম্বন করা) – সব সময় আটঘাট বেঁধে কাজ করবে।

আটপ্রহর (সারা দিনরাত) – ছেলেটা আটপ্রহর খেলে বেড়াচ্ছে।

আটপিঠে, আটপিটে (আটটি দিক বা তলযুক্ত/চৌকস/সবদিকে পটু) – এমন আটপিঠে লোকই এই কাজের জন্য দরকার।

আটপৌরে (সারাদিন পরা বা ব্যবহার করা হয় এমন, নিত্যপরিধেয়) – ‘অক্লেশে আটপৌরে ধুতির মতো ব্যবহার কর্ত্তে লজ্জিত বা সঙ্কুচিত হলো না’।

আটালির মতো লাগা (কিছুতেই না ছাড়া) – আচ্ছা লোক তো তুমি, কাল থেকে আমার পেছনে আটালির মতো লেগে আছ।

আটাশে ছেলে (দুর্বল ও অক্ষম ছেলে) – সে তো আর আটাশে ছেলে নয় যে তোমাকে ভয় পাবে।

আটুপাটু (অতি উৎসাহ/উদ্যম) – মাছ ধরতে যাবার জন্য দেখছি তোমার খুব আটুপাটু।

আঠারো আনা (বড় বেশি বাড়াবাড়ি) – কাজের কাজ কিছু না করলেও সর্দারি করে ঘোলো আনার ওপর আঠারো আনা।

আঠার মাসে বছর (দীর্ঘসূত্রিতা)

আদিখ্যেতা (ন্যাকামি) – এই বয়সে ছেলেকে নিয়ে আদিখ্যেতা আর ভালো দেখায় না।

আনাড়ি (অপটু, অনভিজ্ঞ) – আনাড়ি হাতের কাজ দেখেই বোঝা যায়।

আপখোরাকি (যে কাজে খোরাকি বা খাইখরচ বাবদ কিছু পাওয়া যায় না, কেবল বেতনই পাওয়া যায় এমন) – এ কাজে আপখোরাকি তিনশো টাকা মাইনে।

আপদ-বালাই (আপদ-বিপদ, নানা বিপদ ও ঝঞ্ঝাট) – মাদুলিতে কি আর আপদ-বালাই দূর হবে?

আপামর সাধারণ (সর্বসাধারণ, সাধারণ লোকজন) – কোনো বিশেষ লোকের কথা বলছি না, আপামর সাধারণের কথা বলছি।

আপ্তখুদি, আপ্তগরজি (নিজের গরজ বা প্রয়োজন বুঝে চলে বা কাজ করে এমন) – আচ্ছা আপ্তগরজি লোক তো তুমি।

আবজি-গাবজি (আবর্জনা, নোংরা, ময়লা জিনিস) – আবজি-গাবজিতে উঠোনটা ভরে গেছে।

আবদেরে গোপাল (অত্যন্ত বায়না করে এমন ছেলে) – ছেলেবেলা থেকে সব চাহিদা মিটিয়ে তুমিই ওকে আবদেরে গোপাল বানিয়েছ।

আমতা আমতা করা (স্পষ্ট করে হ্যাঁ বা না কোনোটাই না বলে অস্পষ্ট কথা বলা) – আমি চেপে ধরতেই সে আমতা আমতা করতে লাগল।

আমড়াগাছি (তোষামোদ, চাটুকারিতা) – আমড়াগাছি করে কাজ হাসিল করা আমার ধাতে নেই।

আমল দেওয়া (গুরুত্ব দেওয়া/গ্রাহ্য করা) – ও আমার কথায় আমলই দিল না।

আয়াস-ঘর (বিশ্রাম ঘর) – অনেক হেঁটেছি ভাই, এবার একটু আয়াস ছাড়ব।

আলগা কথা (গভীরভাবে বলা হয়নি এমন কথা) – ও কথা বাদ দাও, এমন আলগা কথা সবাই বলে।

আলতু-ফালতু (আজেবাজে, অসার) – আলতু-ফালতু কথা শুনলে মেজাজ খারাপ তো হবেই।

আলতো আলতো (আগলা) – আলতো করে ধরো/আলতো করে বাঁধো।

আলাই-বালাই (বিপদ-আপদ, ঝামেলা-ঝঞ্ঝাট) – আলাই-বালাইয়ের কি আর শেষ আছে?

আলাভোলা (নিতান্ত ভালোমানুষ গোছের, সাদাসিধে) – একেবারেই আলোভোলা ধরনের মানুষ তিনি।

আলুদোষ, আলুর দোষ (মেয়েদের প্রতি অত্যধিক দুর্বলতা; চরিত্রের দোষ) – আলুদোষের জন্য লোকটা যে কোনো দিন মারধর খাবে।

আলেয়ার পেছনে ছোটা (অসম্ভবের পেছনে ছোটা/বিভ্রান্তিকর জিনিস পাবার জন্য পরিশ্রম করা) – সারাজীবন কেবল আলেয়ার পেছনে ছুটে বেড়ালাম, পেলাম না কিছুই।

আলো-আঁধারি (আলো ও অন্ধকারের মিশ্রণ/পুরোপুরি আলোকিত নয়, আবার পুরোপুরি অন্ধকার নয় এমন অবস্থা) – ঘরে তখন একটা বিচিত্র আলো-আঁধারি।

আশকারা দেয়া (প্রশ্রয় দেয়া) – চাকরবাকরকে অত আশকারা দাও কেন?

আসমান জমিন ফারাক (বিরাট তফাত, বিপুল ব্যবধান) – দুই ভাইয়ের আর্থিক অবস্থা আসমান জমিন ফারাক।

আষ্টেপৃষ্ঠে (সারা গায়, সর্বাঙ্গে) – ডাকাতরা লোকটিকে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধেছে।

আসন টলা (অনুগত ব্যক্তির জন্য বিচলিত হওয়া, নীরবতা দূর হওয়া) – এতদিন গুরুর আসন টলেছে।

আসর গরম করা, আসর মাত করা (আসরে বা আড্ডায় উৎসাহ উদ্দীপনা সৃষ্টি করা) – কথা বলে গল্প বলে সে আসর গরম করতে ওস্তাদ।

আসরে নামা (সভার কাজে যোগ দেয়া) – এইবার আসল লোক আসরে নেমেছে।

আস্ত কেউটে (অত্যন্ত বিপজ্জনক লোক) – ও তো একটা আস্ত কেউটে, ওকে বিশ্বাস করো না।

আহ্লাদে আটখানা (আনন্দে আত্মহারা) – পরীক্ষায় পাসের খবরে মা তো একেবারে আহ্লাদে আটখানা।

💎 উপরের লিখাগুলো ওয়ার্ড ফাইলে সেভ করুন!

মাত্র 10 টাকা Send Money করে অফলাইনে পড়ার জন্য বা প্রিন্ট করার জন্য উপরের লিখাগুলো .doc ফাইলে ডাউনলোড করুন।

Download (.doc)
Sribas Chandra Das

Sribas Ch Das

Founder & Developer

HR & Admin Professional (১২+ বছর) ও কোচিং পরিচালক (১৪+ বছর)। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সহজ Study Content নিশ্চিত করতেই এই ব্লগ।

🏷️ Tag Related

⚡ Trending Posts

Facebook Messenger WhatsApp LinkedIn Copy Link

✅ The page link copied to clipboard!

Leave a Comment (Text or Voice)




Comments (0)

SSC রুটিন
২০২৬
পরীক্ষা শেষ হয়ে গেছে
বাংলা-১ম পত্র
২১ এপ্রিল ২০২৬ | মঙ্গলবার
পরীক্ষা শেষ হয়ে গেছে
বাংলা-২য় পত্র
২৩ এপ্রিল ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
পরীক্ষা শেষ হয়ে গেছে
ইংরেজি-১ম পত্র
২৬ এপ্রিল ২০২৬ | রবিবার
🔴 আজ পরীক্ষা!
ইংরেজি-২য় পত্র
২৮ এপ্রিল ২০২৬ | মঙ্গলবার
আর মাত্র ২ দিন বাকি
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
৩০ এপ্রিল ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
আর মাত্র ৫ দিন বাকি
গণিত
০৩ মে ২০২৬ | রবিবার
আর মাত্র ৭ দিন বাকি
বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়
০৫ মে ২০২৬ | মঙ্গলবার
আর মাত্র ৯ দিন বাকি
ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা
০৭ মে ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
আর মাত্র ১২ দিন বাকি
পদার্থবিজ্ঞান / ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা / ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং
১০ মে ২০২৬ | রবিবার
আর মাত্র ১৩ দিন বাকি
ভূগোল ও পরিবেশ
১১ মে ২০২৬ | সোমবার
আর মাত্র ১৪ দিন বাকি
কৃষি / গার্হস্থ্য / অন্যান্য
১২ মে ২০২৬ | মঙ্গলবার
আর মাত্র ১৫ দিন বাকি
হিসাববিজ্ঞান
১৩ মে ২০২৬ | বুধবার
আর মাত্র ১৬ দিন বাকি
রসায়ন / পৌরনীতি / ব্যবসায় উদ্যোগ
১৪ মে ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
আর মাত্র ১৯ দিন বাকি
উচ্চতর গণিত / বিজ্ঞান
১৭ মে ২০২৬ | রবিবার
আর মাত্র ২২ দিন বাকি
জীববিজ্ঞান / অর্থনীতি
২০ মে ২০২৬ | বুধবার